মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা কিংবা দ্বন্দ এ গুলো স্বাভাবিক একটি বিষয়। এবং সচরাচর হয়ে থাকে এ সব। অনেকে এ সব নিয়ে মাথা ঘামায় আবার অনেকেই ভুলে যায়। কিন্তু তাই বলে করোর রাগ কোন প্রাকৃতিক জিনিসের ক্ষতি করে মেটানো উচিত না। তবে এমন একটি ঘটনার সমুখিন হয়েছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বড় শিমলা গ্রামের এক কৃষক। জানা গেছে শিমলা গ্রামে এবার ২৩ শতক জমির লাউগাছ কে’/টে সাবাড় করেছে দু’/র্বৃ’/ত্ত’/রা’।

শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ৫নং শিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের বড় শিমলা গ্রামের নূর ইসলামের ক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই কৃষকের কমপক্ষে প্রায় দুই লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী কৃষক নূর ইসলাম জানান, তিনি একজন বর্গাচাষি। শনিবার দিবাগত রাতে কে বা কারা আমার ২৩ শতক জমির লাউগাছ কে’/টে দিয়েছে। এতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। গ্রামে আমার কারও সঙ্গে বিরোধ নেই। আমার এমন ক্ষতি করে কি লাভ হলো।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে ফসলি ক্ষেত বিনষ্টের ঘটনা। দু’/র্বৃ’/ত্ত’/রা’/ রাতের আঁধারে একের পর এক নৃ’/শং’/স’/ভা’/বে ফল-সবজির ক্ষেত নষ্ট করছে। কৃষকরা ধারদেনার মাধ্যমে ফসল চাষ করার পর ভরা ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় তারা একেবারে পথে বসেছেন।


এ দিকে বাংলাদেশে এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও ঘটেছে এমন সব ঘটনা। তার পরেও টনক নড়েনি সেখানকার দায়িত্ববান কর্তাকর্তাদের। এমন ধরনের নেক্কার ঘটনা কারা ঘটাচ্ছে তাদের কোন হদিসও পাওয়া যাচ্ছে না এখনো। এ দিকে এ নিয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহাফুজুর রহমান মিয়া জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।