বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এমন এমন সব ঘটনা ঘটছে যা অবাক করে দিচ্ছে সকলকে। বিশেষ করে দীর্ঘ টানা কয়েকটি দিন ধরে দেশে বেড়ে গেছে হ’/ত্যা’/র সংখ্যা এবং না’/রী নি’/র্যা’/ত’নে/’র/ সংখ্যা। দেশের সংবাদ পত্র গুলো খুললেই দেখা যায় এ সব ঘটনার ফিরিস্তি। তবে সম্প্রতি যে ঘটনাটি ঘটেছে তা যে কারোর মাথা ঘুরিয়ে দিতে পারে নিমিষেই।জার্মানিতে বসে সৎ মাকে খু’/নে’/র পরিকল্পনা। সে অনুযায়ী ভাড়া করা হয় খু’/নি। ভাড়াটে সেই খু’/নি ভাড়াটিয়া সেজে ঢোকেন বাড়িতে। কু’/পি’/য়ে’ হ’/ত্যা করেন সেলিনা খানম নামের এক গৃহবধূকে।
পরিবারের দাবি, বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি ছেলে। তাই এই ’হ’/ত্যা’/কা’/ণ্ড। ওই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের হুজুরপাড়া এলাকায় পরিবারসহ থাকতেন সেলিনা খানম। ২ অক্টোবর রাতে দু’/র্বৃ’/ত্ত’/রা তাকে কু’/পি’/য়ে জ’/খ’/ম করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃ’/ত ঘোষণা করেন।
গেলো জানুয়ারিতে প্রথম স্ত্রী মা’/রা যাওয়ার তিনমাস পর নিজের শালিকাকে বিয়ে করেন এস এম ওবায়দুল্লাহ। বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেননি জার্মান প্রবাসী ছেলে বিপ্লব।

বাবাকে ভা’/ড়া’/টি’/য়া স’/ন্ত্রা’/সী’ দিয়ে হ’/ত্যা’/র হুমকি দেন ছেলে। বাবার দাবি, তার ছেলেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে ভাড়াটিয়া খু’/নি দিয়ে হ’/ত্যা করেছে।

নি’/হ’/তে’/র স্বামী এস এম ওবায়দুল্লাহ বলেন, আমার ছেলেকে মিসগাইড করা হয়েছে। আমার পরিবার থেকেই এটা ঘটানো হয়েছে। স’/ন্ত্রা’/সী’/রা’/ এরা হলো ভাড়াটে।

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এই খু’/নে’/র’ জন্য দায়ী করছেন জার্মান প্রবাসী বিপ্লবকে। ছোট মেয়ে ফারজানা ইসলাম ইতি বলেন, যখন আমার বাবা বিয়ে করে বা আমরা জানতে পারি তখন আমরা এটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু এটা নিয়ে আমার ভাই ক্ষিপ্ত ছিল। আমরা ভাইকে আমরা কোনোভাবেই বুঝাতে পারি নাই।

এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

এ দিকে এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর থেকেই পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় চাঞ্চল্যে। এবং এমন একটি ঘটনার সমুখিন হয়ে অনেকে হয়ে পড়েন বেশ আতঙ্কিতও। এ দিকে ঘটনা ঘটে গেলেও এখনও কাউকে সনাক্ত করতে পারেনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আর এ নিয়ে কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাদী তার ছেলেকে সন্দেহ করছেন। আমরাও ধারণা করছি পারিবারিক কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। আমরাও সার্বিক বিষয় নিয়ে তদন্ত করছি। তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে। এখনো মামালার আসামিকে আমরা আটক করতে পারিনি।
জার্মানিতে বসে বাংলাদেশে পেশাদার লোক ভাড়া করে মা'কে পরপারে পাঠালো ছেলে,প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যেকর তথ্য
Logo
Print

সারা দেশ

 

বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এমন এমন সব ঘটনা ঘটছে যা অবাক করে দিচ্ছে সকলকে। বিশেষ করে দীর্ঘ টানা কয়েকটি দিন ধরে দেশে বেড়ে গেছে হ’/ত্যা’/র সংখ্যা এবং না’/রী নি’/র্যা’/ত’নে/’র/ সংখ্যা। দেশের সংবাদ পত্র গুলো খুললেই দেখা যায় এ সব ঘটনার ফিরিস্তি। তবে সম্প্রতি যে ঘটনাটি ঘটেছে তা যে কারোর মাথা ঘুরিয়ে দিতে পারে নিমিষেই।জার্মানিতে বসে সৎ মাকে খু’/নে’/র পরিকল্পনা। সে অনুযায়ী ভাড়া করা হয় খু’/নি। ভাড়াটে সেই খু’/নি ভাড়াটিয়া সেজে ঢোকেন বাড়িতে। কু’/পি’/য়ে’ হ’/ত্যা করেন সেলিনা খানম নামের এক গৃহবধূকে।
পরিবারের দাবি, বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি ছেলে। তাই এই ’হ’/ত্যা’/কা’/ণ্ড। ওই ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের হুজুরপাড়া এলাকায় পরিবারসহ থাকতেন সেলিনা খানম। ২ অক্টোবর রাতে দু’/র্বৃ’/ত্ত’/রা তাকে কু’/পি’/য়ে জ’/খ’/ম করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃ’/ত ঘোষণা করেন।
গেলো জানুয়ারিতে প্রথম স্ত্রী মা’/রা যাওয়ার তিনমাস পর নিজের শালিকাকে বিয়ে করেন এস এম ওবায়দুল্লাহ। বাবার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেননি জার্মান প্রবাসী ছেলে বিপ্লব।

বাবাকে ভা’/ড়া’/টি’/য়া স’/ন্ত্রা’/সী’ দিয়ে হ’/ত্যা’/র হুমকি দেন ছেলে। বাবার দাবি, তার ছেলেই দ্বিতীয় স্ত্রীকে ভাড়াটিয়া খু’/নি দিয়ে হ’/ত্যা করেছে।

নি’/হ’/তে’/র স্বামী এস এম ওবায়দুল্লাহ বলেন, আমার ছেলেকে মিসগাইড করা হয়েছে। আমার পরিবার থেকেই এটা ঘটানো হয়েছে। স’/ন্ত্রা’/সী’/রা’/ এরা হলো ভাড়াটে।

পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এই খু’/নে’/র’ জন্য দায়ী করছেন জার্মান প্রবাসী বিপ্লবকে। ছোট মেয়ে ফারজানা ইসলাম ইতি বলেন, যখন আমার বাবা বিয়ে করে বা আমরা জানতে পারি তখন আমরা এটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু এটা নিয়ে আমার ভাই ক্ষিপ্ত ছিল। আমরা ভাইকে আমরা কোনোভাবেই বুঝাতে পারি নাই।

এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

এ দিকে এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর থেকেই পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় চাঞ্চল্যে। এবং এমন একটি ঘটনার সমুখিন হয়ে অনেকে হয়ে পড়েন বেশ আতঙ্কিতও। এ দিকে ঘটনা ঘটে গেলেও এখনও কাউকে সনাক্ত করতে পারেনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আর এ নিয়ে কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাদী তার ছেলেকে সন্দেহ করছেন। আমরাও ধারণা করছি পারিবারিক কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। আমরাও সার্বিক বিষয় নিয়ে তদন্ত করছি। তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে। এখনো মামালার আসামিকে আমরা আটক করতে পারিনি।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.