বাংলাদেশের রাজনিতীর অন্যতম আলোচিত একটি নাম হয়ে দাড়িয়েছে কাদের মির্জা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বাংলাদেশের রাজনিতীর মাঠের খেলোয়াড় হয়ে থাকলেও আলোচনায় এসেছেন গেল পৌরসভার নির্বাচন থেকে।তবে বর্তমান অবস্থা তার বেশ নড়বড়ে। দলীয় অনেক চাপে আছেন তিনি। এ দিকে এ নিয়ে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, নেত্রী (শেখ হাসিনা) যদি মনে করেন তাহলে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন, আমি আওয়ামী লীগ করতে না পারলে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ নিয়ে কাজ করব এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব।
শনিবার (২০ মার্চ) বিকেলে বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ’/মৃ’/ত্যু’/বা’/র্ষি’/কী উপলক্ষে আয়োজিত শোকসভা ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

এক দেশে দুই আইন চলে কিনা- প্রশ্ন করে কাদের মির্জা বলেন, ’/গু’/লি করার পর আমার অনেক নেতাকর্মী হাসপাতালে ও জেলে রয়েছেন। প্রতিপক্ষদের জামিন হয়েছে কিন্তু আমার কর্মীদের জামিন হয় না।

তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জে ’/অ’/স্ত্রে’/র’/ ঝনঝনানি চলছে। প্রতিপক্ষরা পুলিশের ছত্রছায়ায় আমার পৌরসভায় ’/গু’/লি করল। আর পুলিশের বড় কর্মকর্তারা টাকা খেয়ে বলছে উল্টো কথা। তাদের লোকজন (প্রতিপক্ষ) প্রকাশ্যে ঘুরলেও আমার কর্মীরা ঢাকায় গিয়েও বাঁ’চ/’তে পারছেন না। তাদের বাড়িতে ’মা’/দ’/ক সম্রাট’ ওসি তদন্ত রবিউল ও ডিবির নেতৃত্বে অভিযান চালাচ্ছে।

কাদের মির্জাকে অ’/স্ত্র’/বা’/জ’/ বানাতে তার কর্মী কাঞ্চনের বাড়িতে ’/অ’/স্ত্র’/ রেখে পুলিশ মামলা দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আমার কর্মীদের ’/অ’/স্ত্র’/বা’/জ’/ বানানোর ষড়যন্ত্র করছে।

কাদের মির্জা পুলিশ ও ইউএনওকে উদ্দেশ করে বলেন, এতদিন যা করেছেন মাফ করে দিলাম। এবার নিরপেক্ষ হয়ে যান। ইউএনও সাহেব আপনি আমার আইসোলেশন সেন্টার ভেঙেছেন, একদিন এর জবাব দিতে হবে।

কাদের মির্জা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর যত সরকার এসেছে সব সরকারের সময় জিল্লুর রহমান এমপি ছিলেন। ওয়ান ইলেভেনের সময় আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর আওয়ামী লীগের কোনো নেতা ছিল না কথা বলার জন্য। সবাই বেইমানি করেছে, কেউ কেউ পালিয়ে গেছে। একমাত্র জিল্লুর রহমান বুক ফুলিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এ সময় রোববার (২১ মার্চ) বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ’/মৃ’/ত্যু’/তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের ঘোষণা দেন কাদের মির্জা।


দলিয় বিষয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করে তিনি এখন নিজ দলের কাছেই হয়ে উঠেছেন সমালোচনার পাত্র। তাই দল থেকেই এখন সব থেকে বেশি চাপে আছেন তিনি। নিজ ভাই ওবায়দুল কাদেরের নামে নানা ধরনের মন্তব্য করেও তিনি হয়েছেন সবার চক্ষুসুল।