দীর্ঘদিন ধরেই ইভ্যালি নিয়ে উঠছিল নানা ধরনের সব প্রতারাণার অভিযোগ। আর এই সব অভিযোগ উঠতে উঠতে একটা সময়ে মামলা হলো ইভ্যালির এমডি রাসেল ও তার স্ত্রীর নামে। আর এই মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করার পরই জানা গেছে অবাক করা নতুন একটি তথ্য। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ’ইভ্যালি’র কাছে গ্রাহকের পাওনা হাজার কোটি টাকার বেশি। কিন্তু ইভ্যালির ব্যাংক হিসাবে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৩০ লাখ টাকা! প্রশ্ন উঠেছে, গ্রাহকের বিনিয়োগ করা হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়? গোয়েন্দাদের এমন জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল এবং তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনও (চেয়ারম্যান) কোনো জবাব দিতে পারেননি। তবে সাভার ও আমিনবাজারের জমি নিয়ে তাদের ৮ কোটি টাকা পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।
ইভ্যালির লুটপাটের এমন চিত্র দেখে রীতিমতো হতবাক তদন্তসংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, গোয়েন্দারা জানিয়েছেন খুব শিগগিরই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইভ্যালি। এরই মধ্যে সম্পন্ন করে ফেলেছিল সব ধরনের প্রস্তুতি। ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়ে কোম্পানি চালু রাখাও ছিল তাদের সূ² পরিকল্পনার অংশ।

ইভ্যালি এমডি ও তার স্ত্রী করেছিলেন একটি সুনিপুন কৌশল।যেখানে তারা শেষ পর্যন্ত সব কিছু আত্মসাৎ করে কোম্পানিকে করতে চেয়েছিলেন একেবারে দেউলিয়া ঘোষনা। আর এই টার্গেটেই হাটছিলেন তারা। তবে শেষ রক্ষা হলো না তাদের। শেষ পর্যন্ত ধরা পড়তে হলো র‍্যাবের হাতে।