স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে গর্ভে থাকা বাচ্চার মৃত্যুতে থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জাহিদ-আনিকা দম্পতি। অভিযোগ, এ ঘটনায় একটি প্রভাবশালী মহল হাসপাতালের পক্ষে জাহিদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। বলা হচ্ছে ঘটনাটি চেপে যেতে, বাড়াবাড়ি করলে ফল ভালো হবে না।
গেল ৭ মে গর্ভকালীন সমস্যা হলে প্রসূতি আনিকাকে তার স্বামী জাহিদ স্কয়ার হাসপাতালে তাদের নিয়মিত চিকিৎসক কাজী শামসুন নাহারের কাছে নিয়ে যান। রাতে প্রসূতি আনিকা ভালো থাকলেও পরদিন ৮ মে জানানো হয় গর্ভেই বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে।
জাহিদের স্ত্রী মানসিকভাবে কিছুটা সুস্থ হয়ে চিকিৎসকের অবহেলা ও হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার কথা জানান। আনিকার দাবি, স্কয়ার হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, উদাসীনতা ও ওই চিকিৎসকের সিরিয়াসনেস না থাকায় মৃত্যু হয়েছে গর্ভে থাকা সুস্থ বাচ্চার। যথাযথ ব্যবস্থা নিলে ৩০ সপ্তাহ বয়সী বাচ্চাটিকে বাঁচানো সম্ভব হতো।
ভুক্তভোগীর স্বামী জাহিদ বলেন, ’আমাকে বলা হচ্ছে, আমি নাকি বিষয়টি নিয়ে খামোখা উত্তেজনা তৈরি করছি। কারো চক্রান্তে হাসপাতাল ও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কথা বলছি। ঘটনাটি এখানেই শেষ না করলে ভালো হবে না। আপনি তাদের ক্ষমতা জানেন না ইত্যাদি ইত্যাদি। পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে বিষয়টি পুলিশ কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই শুধাংসু বলেন, বাদীর পক্ষ থেকে হুমকি সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে জানানো হয়নি। তবে, মামলার তদন্ত হচ্ছে।