পাসপোর্ট এখন সকলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হয়ে দাড়িয়েছে। সকলেরই এখন বেশ প্রয়োজনের জিনিস হয়ে দাড়িয়েছে এটি। তবে এই পাসপোর্ট করতেই পোহাতে হয় নানা ধরনের ঝক্কি ঝামেলা। সকলেই এ নিয়ে হয় বেশ বিরক্ত। তবে এবার কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই মিলছে ই-পাসপোর্ট। কারণ এই পাসপোর্টের জন্য আপনাকে দাঁড়াতে হচ্ছে না লম্বা লাইনে। দালালের খপ্পর বা পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা লাগছে না। সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে আপনি ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারছেন। কিভাবে আবেদন করবেন তা নিয়েই আজকের আয়োজন।
ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করা যাবে। অথবা পিডিএফে ফরমেটে ডাউলোড করেও ফরম পূরণ করা যাবে।

নতুন ই-পাসপোর্ট করতে হলে কিছু কাগজ সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হয়। সেগুলো হলো-এনআইডি অথবা স্মার্ট কার্ডের ফটো কপি, পরিচয়পত্রের মূল কপি অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দেখাতে হবে। ১৮ বছরের কমবয়সীদের জন্য জন্ম-নিবন্ধন সার্টিফিকেট, বাবা-মায়ের ছবি ও এনআইডি’র কপি জমা দিতে হয়।

ই-পাসপোর্ট পোর্টালে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের জমা দিতে হবে অনাপত্তিপত্র-এনওসি এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ অবসরের প্রমাণপত্র হিসেবে পেনশন দলিল দেখানোর কথা বলা হয়েছে। এছাড়া প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/ নিকাহনামা এবং বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে।

পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানাতে হবে। নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি, জিডি কপিসহ আবেদন দাখিল করতে হবে।

এ দিকে এখন ই পাসপোর্টের দিকেই ঝুকছে মানুষ সব থেকে বেশি। যার ফলে এই কার্যটি এখন আরো বশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর সেই কারনে সরকার থেকেও এই পাসপোর্ট তৈরীর ক্ষেত্রেও কমানো হয়েছে নিবন্ধন ফিও। তাই ঝটপট করেই এখন তৈরী করা যাবে পাসপোর্ট।