রমজানের পূর্বেই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করেছেন সিপিবির কেন্দ্রীয় সম্পাদক পরিষদের সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স।
তিনি বলেছেন, আগে দেখা যেত রোজার সময় অথবা রোজার একেবারে কাছাকাছি সময়ে পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়ত। আমাদের মন্ত্রীরা বলছেন, রমজানে দাম এক টাকাও বাড়বে না। আসলেই রমজানে দাম বাড়ানো দরকার হচ্ছে না।
তিনি বলেন, এখন শুধু না, গত দশ-বার দিন যে চেহারা দেখছি, যেভাবে মাঝেমধ্যে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে; রোজার সময় তখন বোধহয় বলতে পারবে ১ অথবা ২ টাকা দাম কমিয়ে দিলাম। ১০ টাকা ইতোমধ্যে বাড়িয়ে দিল আর দুই টাকা দাম কমানোর গল্প শুনব! এই ঘটনাগুলো ঘটছে।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টক-শো অনুষ্ঠানে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এটা ঘটার একমাত্র কারণ হচ্ছে আমাদের ব্যবসার যে সিস্টেম এবং এর সাথে জড়িত যারা তারা এই সময়টাতে মনে করেন আমাকে অধিক মুনাফা করতে হবে। তবে এরমধ্যে অল্পকিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে। কিন্তু সাধারণভাবে এই ঘটনা ঘটে।
আন্তর্জাতিক বাজারের খবরতো এখন সবাই রাখে। ব্যবসায়ীরাতো তাদের স্বার্থেই রাখে। আর আমরাওতো রাখি পত্রিকার মাধ্যমে। এবার রমজানের সময় যে প্রয়োজনীয় জিনিস লাগে যেমন, ছোলা থেকে শুরু করে তেল, পিয়াজ, ডাল-এগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে দাম অনেক কমের দিকে। তাই জনমনে আশা ছিল, স্বস্তির জায়গাটা পেতে পারব। কিন্তু হয়নি, বলেন তিনি।
তিনি বলেন, অনেক ব্যবসায়ী কোন না কোনভাবে অংক মেলায়, আমি এত টাকা করে লাভ করলে এত কোটি টাকা নিয়ে আসতে পারব। ব্যবসায়ীদেরতো এই বিষয়টি থাকছেই। এছাড়া পাইকারি আর খুচরা বাজারে বিস্তর ফারাক।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বিবেচনায় এই সিস্টেমটা যদি পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ দক্ষ, দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সিস্টেম এবং মানসম্পন্ন পণ্য যদি ভোক্তাদের হাতে যথাযথভাবে পৌঁছে দিতে পারি তাহলে তারা উপকৃত হবে।
সূত্র:বিডি২৪লাইভ