প্রতিবছর রমজান মাস আসলে নিত্যপণ্যে দ্রব্যের দাম বাড়ে। এপ্রিল মাসের তুলনায় দ্রব্যমূল্যের দাম ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার অভিযোগ আছে। আমদানিকারক ও ব্যবসায়িরা মিলে পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিতে হয়। কিন্তু তারপরও পরিস্থিতি পরিবর্তন হয় না। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সোমবার সাক্ষাতকারে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। খবর বিবিসি
তিনি বলেন, রোজার মাস বা কেনো উৎসব আসলে পণ্যের দাম বাড়ে। এটা অর্থনীতির কেনো সূত্রে সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিষয়টা হলো অনিয়ম দুনীতি প্রাতিষ্ঠানিকরণ তার একটা দৃষ্টান্ত। অর্থনীতিতে বাজারে মূল্য নির্ধারণ চাহিদার সঙ্গে সরবরাহের যে সূত্রপাত তা এখানে কাজ করে না। ক্রেতার এখানে কেনো ভূমিকা নেই, তার শুধু ঠকতেই থাকে। রমজান বা কেনো উৎসব আসলে আরো বেশি সুযোগ নেয় ব্যবসায়ীরা। অতিরিক্ত দাম মেনে নিতে বাধ্য হয় ভোক্তরা।
তিনি বলেন, যারা এটা দেখার জন্য আছেন, অনেক সময় তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আসে চাঁদাবাজিসহ নানা রকমের। অবৈধ প্রক্রিয়ায় যারা লাভবান হ, ক্রেতাদের জিম্মি করে তারা নিরব ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু তাদের হাতেই নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আছে, তা প্রয়োগ করেন না। দু’একটা দেখানোর জন্য করলেও তাতে কেনো লাভ হয় না। ফলে একবার যখন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়, তা আর কমে না।
সূত্র:amadershomoy