মোঃ নজরুল ইসলাম যিনি আসিফ নজরুল নামে সমধিক পরিচিত হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী লেখক, ঔপন্যাসিক, রাজনীতি-বিশ্লেষক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, কলামিস্ট, ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক।এ ছাড়াও তার অন্যতম একটি পরিচয় হচ্ছে তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের বড় মেয়ে শিলা আহমেদের স্বামী। টিভি টকশো ও তার কলামে সাহসী রাজনীতি বিশ্লেষণের জন্য তিনি বিশেষভাবে খ্যাত। শোস্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় তিনি। সমসাময়িক বিষয় সমুহ নিয়ে প্রায়সই তিনি তার মতামত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করে থাকেন। গতকাল তিনি তার ফেসবুক পেজে
নাম প্রকাশ না করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপককে নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

’আমাদের সাথে টেনিস খেলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। একা থাকেন। দেশ নিয়ে ভাবার অনেক সময় তার। কিন্তু আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থ্ক বলে তার সাথে বেশী আলাপ করা যায় না।


সেই তিনি পরশু রাতে ফেরার সময় ফোঁস করে দীর্ঘ্শ্বাস ফেলেন। বলেন: আমরাই আসলে রোহিঙ্গা এদেশে। আমাদের কিছু বলার নাই, কোন দাম নাই।

দেশ নিয়ে এমন হতাশার কথা শুনি আজকাল অনেকের কাছে। আমার পুরানোর ঢাকার রাজনীতিবিমুখ বন্ধুরা বলেন, পলাশী বাজারের ফল বিক্রেতারা বলেন, রাস্তায় হঠাৎ থামিয়ে হাত চেপে ধরা মানুষরা বলেন।এদেশের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত না শুধু আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী মানুষ আর অন্ধ স্তাবকরা।’


প্রসঙ্গত, আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগ থেকে ১৯৮৬ সালে স্নাতক ও ১৯৮৭ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ১৯৯৯ সালে সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে তার পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে জার্মানীর বন শহরের ইনভাইরনমেন্টাল ল’ সেন্টার থেকে তিনি পোস্ট ডক্টরেট ফেলোশিপ অর্জন করেন। তিনি স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজে একজন কমনওয়েলথ ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পূর্বে ১৯৯১ সালে আসিফ নজরুল একটি বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক পত্রিকা বিচিত্রায় কাজ করতেন। তিনি কিছু সময় বাংলাদেশ সরকারের একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন।