নারীদের কাছে তাদের সব থেকে বড় সম্পদ হলো তাদের সম্ভ্রম। আর সম্ভ্রম আছে বলে নারীরা সর্বোপরী সকল স্থানেই সন্মানটা একটু বেশিই পায়। তবে বর্তমান সময়ে অনেক এমন নারীরাই আছেন যারা তাদের এই মহামুল্যবান সম্পদ নিয়ে করে থাকেন নানা ধরনের প্রতারনা। আর সমাজে পড়ে থাকেন ভদ্রতার মুখোশ। আর এই ভদ্রতার মুখশের আড়ালে তারা করে যায় অনেক অনৈতিক কার্যকলাপ। সম্প্রতি একজন লেখিকা ফেসবুকে একটি বড় লেখা লিখেছেন এই বিষয়। পাটকদের উদ্দশ্যে তার এই লেখনি তলে ধরা হলো হুবহু:-
একবার একজন বেশ সিনিয়র লেখক (নারী) তার ফেসবুক পোস্টে লিখলেন, তিনি নাকি কেনোদিন বাজে ভিডিও দেখেন নাই। কোনোদিন কোনো চটি পড়ে দেখেননি। সেটা হতেই পারে। হয়তো হাতের কাছে পাননি। কিন্তু তার পোস্ট পড়ে বুঝা গেলো, এই যে তিনি চটি পড়েননি বা পড়েন না, কিংবা তিনি যে বাজে ভিডিও দেখেননি বা দেখেন না, সেইটা নিয়া তার মধ্যে বিরাট এক গর্ব আছে। এই গর্বের নাম শুদ্ধতার গর্ব। বাংলার আপামর নারী সমাজ এই শুদ্ধতার ভ-ামি কইরা গর্বিত হওয়ার স্বভাব নিয়াই জন্মায় সম্ভবত। তো আমি সেই আপারে বিনীতভাবে কইলাম, আপা, আপনে একজন লেখক। লেখকের কৌতুহল থাকে বেশি। আবার তার ভ্রমণও হইতে হয় সর্বব্যাপী। তাইলে কৌতুহল থেকে কিংবা জিনিসটা কী জানার ইচ্ছা থেকেও কি কোনোদিন দেখেননি বা পড়েন নাই? অন্তত একজন লেখক তো লেখার স্বার্থেও চটির দুনিয়া ঘুরে দেখতে পারে! আপনার কী মনে হয়? তিনি কইলেন, তার নাকি জীবনেও এই ইচ্ছা হয় নাই। আমি মেনে নিলাম।

কিন্তু এই বক্তব্যের সঙ্গে তার যে দেমাগটুকু সেইটা নিলাম না। হয় তিনি ভ- অথবা একজন নির্জীব কৌতুহলহীন মানুষ। কৌতুহলহীন মানুষ কখনো লেখক হইতে পারে না। আর এই সর্বব্যাপী অনলাইনের যুগে একজন মানুষের চোখে বাজে ভিডিও বা চটি কোনোদিন দুর্ঘটনাবশতও ধরা দিলো না, তাইলেও সেই একই কথা কইতে হয়, তিনি যথেষ্ট নেট ব্রাউজও করেন না। তো, সেই আপা আমারে বহুকাল আগেই ব্লক দিয়া রাখছেন। সম্ভবত আমার অশ্লীল কথাবার্তা তার সতী হৃদয়ে নিয়ত আঘাত হানতো। তার পবিত্রতা নষ্ট হয়ে যাইতো। সম্ভবত এই সতীত্বই তার জীবনের একমাত্র সম্পদ। আমার যেহেতু এই সম্পদ নিয়া মাথাধরা নাই, তাই আমি দিলখুশ চিত্তে কইতে পারি, বাজে ভিডিও আমি দেখেছি। চটিও পড়েছি। অন্তত জিনিসটা কী, এই প্রশ্ন আমার মাথায় আসছে বলেই আমি দেখেছি ও পড়েছি।

বাংলার আপামর নারী জাতির জীবনে সতীত্ব যতোখানি মোহ, আমার কাছে সতীত্ব ততোটাই ঘেন্নার ও পরিত্যাজ্য। এই সতীত্বের ভাব লয়া বাংলার আপামর সতী আপারা কুতু কুতু ছোনাবাবু হয়া বরের বুকে মুখ লুকায়া নুকুপুষু করে। এই সতীত্ব দেখায়া অন্যের ঘাড়ে বইসা খায়। শক্ত ও ঝামেলার কামগুলা পুরুষরে দিয়া করায়। এরপর একদিন যখন বোরিং বোরিং লাগে, তখন মাথায় বান্ধাকপি বাইধা বাইরে ডেটিংয়ে যায়। বান্ধাকপির নিচে তাদের সতীত্ব সহিসালামতে থাকে। বাসায় আইসা আবার সতীত্ব দিয়া সব আদায় কইরা নেওয়া যায়। যে নারীর যৌনতার জ্ঞান নাই, আগ্রহ নাই, সেই নারী হয় অস্বাভাবিক অথবা তিনি সতী। আর সতী মাত্রই ভ-, এইটা যেদিন মাথায় ঢুকবে সেইদিন বাংলার আপামর আপ্পি সমাজের চক্ষু খুইলা মগজে আলো প্রবেশ করবে।

প্রসঙ্গত, আমাদের সমজে এমন অনেক ঘটনাই ঘটেছে যেখানে দেখা যায় সমাজের ভালো মানুষের মুখোশধারি অনেক নারীরা নিজেদের সরলতার মুখোশ দিয়ে মানুষকে ঠকিয়েছে নানা ভাবে। বিশেষ করে নিজেদেরকে সকলের সামনে বেশ সরল মনা বানিয়ে করে গেছে অনেক কলুষিত কাজ। অনেক বিবাহিত নারীকেও দেখা গেছে ঘর সংসার ছেড়ে চলে গেছে অন্যর হাত ধরে। তাই এ সকল নারীদের পরিহার করা উচিত তবেই সমাজের নারীরা সত্যিকারের মর্যাদা পাবে।