সম্প্রতি বাংলাদেশে স্বাস্থ্যে অধি দপ্তর নিয়ে শুরু হয়েছে নানাবিধ আলোচনা সমালোচনা। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়ে আলোচনা সমালোচনা এই নতুন নয়। তার পরেও এবার যেন একটু বেশিই সমালোচনা শুরু হয়েছে। আর এই সমালোচনার মুলে রয়েছে স্বাস্থ্যের সামান্য একজন ড্রাইভারকে নিয়ে। যার নামে বেনামে খোজ পাওয়া গেছে শত কোটি টাকার সম্পদ। আর এ সব নিয়ে সম্প্রতি একটি লেখনি স্যোশাল মিডিয়াতে প্রকাশ করেছেন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জনাব আসিফ নজরুল। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই ভিডিও তুলে ধরা হলো হুবহু:-
মালেকের সম্পদ
তাঁর আছে দুটি সাততলা ভবন, নির্মাণাধীন একটি দশ তলা ভবন, জমি, গরুর খামার। পুরো সম্পত্তির খোঁজ নাকি এখনো শেষ হয়নি।
এসব সম্পত্তির মালিক আবদুল মালেক। সে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামান্য একজন ড্রাইভার। তাহলে তার এতো সম্পদ হলো কিভাবে? তদন্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, আবদুল মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ চিকিৎসক নেতাদের আনুকূল্য পেয়েছেন।
শুধু আনুকুল্য পেয়ে তৃতীয় শ্রেনীর একজন কর্মচারীর এ পরিমান সম্পদ হয়ে গেল? তাহলে যারা আনুকুল্য দিয়েছেন তারা কি পরিমান সম্পদের পাহাড় গড়েছেন?
আবদুল মালেকের সম্পত্তির হদিস এখন বের হচ্ছে। আনুকুল্য প্রদানকারীদেরটা কখনো হবে কি? তাদের নামগুলো এট লিষ্ট!

এ দিকে স্বাস্থ্যে অধিদপ্তরের সমালোচিত ড্রাইভার মালেককে নিয়ে শুরু হয়েছে চারিদিকে আলোচনা সমালোচনা। তাকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং নেয়া হয়েছে রিমান্ডেও। তবে পুলিশু হেফাজতে বসে তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। এবং বলেছেন এর সব কিছুই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেই ড্রাইভার ও তার মদত দাতাদের নিয়ে কথা বললেন আসিফ নজরুল
Logo
Print

মুক্তমত

 

সম্প্রতি বাংলাদেশে স্বাস্থ্যে অধি দপ্তর নিয়ে শুরু হয়েছে নানাবিধ আলোচনা সমালোচনা। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়ে আলোচনা সমালোচনা এই নতুন নয়। তার পরেও এবার যেন একটু বেশিই সমালোচনা শুরু হয়েছে। আর এই সমালোচনার মুলে রয়েছে স্বাস্থ্যের সামান্য একজন ড্রাইভারকে নিয়ে। যার নামে বেনামে খোজ পাওয়া গেছে শত কোটি টাকার সম্পদ। আর এ সব নিয়ে সম্প্রতি একটি লেখনি স্যোশাল মিডিয়াতে প্রকাশ করেছেন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জনাব আসিফ নজরুল। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই ভিডিও তুলে ধরা হলো হুবহু:-
মালেকের সম্পদ
তাঁর আছে দুটি সাততলা ভবন, নির্মাণাধীন একটি দশ তলা ভবন, জমি, গরুর খামার। পুরো সম্পত্তির খোঁজ নাকি এখনো শেষ হয়নি।
এসব সম্পত্তির মালিক আবদুল মালেক। সে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামান্য একজন ড্রাইভার। তাহলে তার এতো সম্পদ হলো কিভাবে? তদন্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, আবদুল মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ চিকিৎসক নেতাদের আনুকূল্য পেয়েছেন।
শুধু আনুকুল্য পেয়ে তৃতীয় শ্রেনীর একজন কর্মচারীর এ পরিমান সম্পদ হয়ে গেল? তাহলে যারা আনুকুল্য দিয়েছেন তারা কি পরিমান সম্পদের পাহাড় গড়েছেন?
আবদুল মালেকের সম্পত্তির হদিস এখন বের হচ্ছে। আনুকুল্য প্রদানকারীদেরটা কখনো হবে কি? তাদের নামগুলো এট লিষ্ট!

এ দিকে স্বাস্থ্যে অধিদপ্তরের সমালোচিত ড্রাইভার মালেককে নিয়ে শুরু হয়েছে চারিদিকে আলোচনা সমালোচনা। তাকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং নেয়া হয়েছে রিমান্ডেও। তবে পুলিশু হেফাজতে বসে তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। এবং বলেছেন এর সব কিছুই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.