সারা দেশে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে আলুর দাম। মাত্র ২০-৩০ টাকার মধ্যে যে আলু পাওয়া যেত তা এক নিমিষেই বেড়ে দাড়ায় ৬০-৭০ টাকায়। আর এ নিয়ে সারা দেশে শুরু হয় অস্থিরতা। সাধারন মানুষের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় এই পণ্যটির এমন চড়া দাম একেবারেই হয়ে ওঠে অসহনীয়। এ দিকে আলুর দাম বৃদ্ধি বিষয়ে সরকার নীরব ভূমিকায় নেই, তবে দাম নিয়ন্ত্রণের কাজটা খুব কঠিন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি জানান, আলুর দাম কমতে আরও ২০-২৫ দিন সময় লাগবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

এর আগে দেশে খুচরা পর্যায়ে আলুর দাম ৩০ টাকা কেজি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। হিমাগার পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর দাম বেধে দেওয়া হয়েছে ২৩ টাকা। গেলো কয়েকদিন ধরে আলুর বাজারে নৈরাজ্য দেখা দিয়েছে। রাজধানীর বাজারে আলু বিক্রি হয় মান ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

কৃষি বিপণন অধিদফতর বলছে, খুচরা পর্যায়ে দামের এই উল্লম্ফন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে নজরদারি জোরদার করার জন্যে জেলা প্রশাসক ও জেলা বাজার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বছরে আলুর চাহিদা প্রায় ৭৭ লাখ টন। চলতি মৌসুমে উৎপাদন হয়েছে এক কোটি টন। বিপুল পরিমাণ আলু উদ্বৃত্ত থাকার পরও এবার দামে রেকর্ড তৈরি হয়।


আলুর দাম এত বৃদ্ধি নিয়ে বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সরকারও। আর এই কারনে আলুর দাম করে দেয়া হয়েছে নির্ধারিত।২০-৩০ টাকার বেশি আলু বিক্রি করা যাবেনা। হয়ে গেছে এমন ঘোষনাও। তবে বেশ কিছু জায়গায় এটি মানা হচ্ছে না এখনো। যার ফলে ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, দাম বাড়ানোর জন্যই কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন ব্যবসায়ীরা।