মানুষের কপাল খুলতে সময় লাগে না। আর এই প্রবাদটি যেন সব সময়ের জন্যই হয়ে থাকে সত্যি। যার প্রমান পাওয়া গেল আবারো। সকালে পকেটে ছিল ২০ টাকা। অভাবের কারণে নাস্তাও করতে পারেননি ঠিকমতো। অথচ বিকেলেই তিনি কোটিপতি! লটারি জিতে শেখ সাবেদ হোসেন এখন পাঁচ কোটি টাকার মালিক।
শনিবার সন্ধ্যায় কাঁথির টিকিট কাউন্টার থেকে ফোন করে লটারি জেতার কথা জানানো হয়েছে সাবেদ হোসেনকে। তার লটারি জয়ে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথির বাতিয়া গ্রামে।

দিওয়ালি বাম্পার টিকিট কেটে পাঁচ কোটি টাকা পেয়ে রীতিমতো খুশি তার পরিবার। এমনকি আত্মীয়-স্বজনরাও থেকে খোঁজ নিচ্ছেন তার। অভিনন্দন জানাতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন পরিচিত-অচেনা অনেকেই।

শেখ সাবেদ হোসেন বলেন, বছরে দুই একবার আমি বাম্পার টিকিট কাটি। কয়েকদিন আগে কাঁথি শহরে চিকিৎসা করানোর জন্য গিয়ে দুটি বাম্পার টিকিট চার হাজার টাকা দিয়ে কেটে ছিলাম। এখন দেখি ভাগ্য আমার সহায় হলো।

এ দিকে এত বড় একটি লটারী পেয়ে শুরুতে একেবারেই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান তিনি। এ নিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি বলে আরেক বন্ধুকে ফোন করে বিষয়টি জানাই। এই বন্ধুটি লটারি সম্বন্ধে কিছুটা জানতো। ওই বন্ধু লটারির রেজাল্ট ডাউনলোড করে দেখার পর আমাকে আনন্দ সংবাদটি জানায়। পরদিন সকালে পরিবারের সবাই জানতে পারেন এবং চমকে যান। চিকিৎসার জন্য অর্থের খুব প্রয়োজন ছিল।