আনন্দ-ফুর্তি করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন দুই ব্যক্তি। যার একজনের নাম মিন্টু রঞ্জন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি ভারতীয় নাগরীক। জানা যায় একটি বাসাতে আনন্দ ফুর্তি করতে গিয়ে সেখানকার কয়েকজন নারীর হাতে পড়ে তারা হন জি’ম্মি। তবে অপ’/হ’/র’/ণের পর মিন্টু রঞ্জন দাস নামের এক ভারতীয় নাগরিক ও মোবারক হোসেন নামের এক ঠিকাদারকে উদ্ধার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল। আজ রোববার (২১ মার্চ) এ ঘটনায় দুই জনকে আটকের পর মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, রবিন (২২) ও সিয়াম (১৮)। তাদের দুই জনের বাড়ি সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিজেশ্বর গ্রামে।

পুলিশ সূত্র জানা গেছে, মিন্টু রঞ্জন দাস আশুগঞ্জ-আগরতলা চার লেন সড়ক প্রকল্পে এফকন ইনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। তার বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এই সড়ক প্রকল্পে সাব ঠিকাদারের কাজ করেন মোবারক হোসেন। শুক্রবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই দুই জন জেলা শহরের কলেজ-পাড়ায় একটি বাসাতে আনন্দ-ফুর্তি করতে যান। সেখানে তাদেরকে অ’/প’/হ’/র’/ণ করেন কয়েকজন নারী ও যুবক। সেখান থেকে অ’/প’/হ’/র’/ণের পর তাদেরকে নারীদের সাথে আ’/পত্তিকর ছবি তুলতে বাধ্য করা হয়। পরে ছবি তোলা শেষে ভারতীয় ওই নাগরিক ও ঠিকাদার মোবারক হোসেনের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা।

এদিকে মোবারকের গাড়ির চালক ওই বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অপেক্ষা করছিলেন। তখন ভেতর থেকে কেউ বের না হওয়ায় সন্দেহ হয়। পরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় গিয়ে বিষয়টি জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সদর মডেল পুলিশের সমন্বয়ে একটি দল অভিযান চালায়। এসময় প্রযুক্তির ব্যবহার করে প্রথমে আশুগঞ্জ থেকে ভারতীয় নাগরিক মিন্টু রঞ্জন দাসকে উদ্ধার করা হয়। আর আটক করা হয় দু’জন অ’/প’/হ’/র’/ণকারীদের। তবে বিষয়টি গোপন রেখে আটক দু’জন অ’/প’/হ’/র’/ণকারীদের মাধ্যমে অন্য অ’/প’/হ’/র’/ণকারীদের বলা হয়, অ’/পহৃত ঠিকাদার মোবারক হোসেনকে নিয়ে জেলা শহরের মেড্ডায় এসে মুক্তিপণের টাকা নিয়ে যেতে। শনিবার (২০ মার্চ) মধ্যরাত ১২টার দিকে ঠিকাদার মোবারক হোসেনকে নিয়ে মেড্ডায় এসে অ’/প’/হ’/র’/ণ’/কা’/রীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। সেখান থেকে টিকাদার মোবারক হোসেনকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ দিকে আটকৃতদের রাখা হয়েছে পুলিশি হেফাজতে। এবং তাদের নামে করা হয়েছে মামলাও। এ নিয়ে সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, অ’/প’/হ’/র’/ণে’/র ঘটনায় ঠিকাদার মোবারক হোসেন বাদী হয়ে আটক দুই জনসহ ১৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
ফূর্তি করতে গিয়ে নারীর হাতে পড়ে বিপাকে দুই যুবক
Logo
Print

সারা দেশ

 

আনন্দ-ফুর্তি করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন দুই ব্যক্তি। যার একজনের নাম মিন্টু রঞ্জন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি ভারতীয় নাগরীক। জানা যায় একটি বাসাতে আনন্দ ফুর্তি করতে গিয়ে সেখানকার কয়েকজন নারীর হাতে পড়ে তারা হন জি’ম্মি। তবে অপ’/হ’/র’/ণের পর মিন্টু রঞ্জন দাস নামের এক ভারতীয় নাগরিক ও মোবারক হোসেন নামের এক ঠিকাদারকে উদ্ধার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল। আজ রোববার (২১ মার্চ) এ ঘটনায় দুই জনকে আটকের পর মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, রবিন (২২) ও সিয়াম (১৮)। তাদের দুই জনের বাড়ি সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিজেশ্বর গ্রামে।

পুলিশ সূত্র জানা গেছে, মিন্টু রঞ্জন দাস আশুগঞ্জ-আগরতলা চার লেন সড়ক প্রকল্পে এফকন ইনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। তার বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এই সড়ক প্রকল্পে সাব ঠিকাদারের কাজ করেন মোবারক হোসেন। শুক্রবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই দুই জন জেলা শহরের কলেজ-পাড়ায় একটি বাসাতে আনন্দ-ফুর্তি করতে যান। সেখানে তাদেরকে অ’/প’/হ’/র’/ণ করেন কয়েকজন নারী ও যুবক। সেখান থেকে অ’/প’/হ’/র’/ণের পর তাদেরকে নারীদের সাথে আ’/পত্তিকর ছবি তুলতে বাধ্য করা হয়। পরে ছবি তোলা শেষে ভারতীয় ওই নাগরিক ও ঠিকাদার মোবারক হোসেনের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা।

এদিকে মোবারকের গাড়ির চালক ওই বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অপেক্ষা করছিলেন। তখন ভেতর থেকে কেউ বের না হওয়ায় সন্দেহ হয়। পরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় গিয়ে বিষয়টি জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সদর মডেল পুলিশের সমন্বয়ে একটি দল অভিযান চালায়। এসময় প্রযুক্তির ব্যবহার করে প্রথমে আশুগঞ্জ থেকে ভারতীয় নাগরিক মিন্টু রঞ্জন দাসকে উদ্ধার করা হয়। আর আটক করা হয় দু’জন অ’/প’/হ’/র’/ণকারীদের। তবে বিষয়টি গোপন রেখে আটক দু’জন অ’/প’/হ’/র’/ণকারীদের মাধ্যমে অন্য অ’/প’/হ’/র’/ণকারীদের বলা হয়, অ’/পহৃত ঠিকাদার মোবারক হোসেনকে নিয়ে জেলা শহরের মেড্ডায় এসে মুক্তিপণের টাকা নিয়ে যেতে। শনিবার (২০ মার্চ) মধ্যরাত ১২টার দিকে ঠিকাদার মোবারক হোসেনকে নিয়ে মেড্ডায় এসে অ’/প’/হ’/র’/ণ’/কা’/রীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। সেখান থেকে টিকাদার মোবারক হোসেনকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ দিকে আটকৃতদের রাখা হয়েছে পুলিশি হেফাজতে। এবং তাদের নামে করা হয়েছে মামলাও। এ নিয়ে সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, অ’/প’/হ’/র’/ণে’/র ঘটনায় ঠিকাদার মোবারক হোসেন বাদী হয়ে আটক দুই জনসহ ১৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.