ফোন পাওয়া মাত্রই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে ঢাকা রাজধানীর আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের একটি ভবনের টয়লেট থেকে ঢাবির এক শিক্ষার্থীর মৃ/ত/দে/হ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। আজ রোববার (০৬ জুন) সকালে বাথরুমের দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করা হয়। মৃ/ত ঐ শিক্ষার্থীর নাম ইসরাত জাহান তুষ্টি। সে ঢাবির ইংরেজি বিভাগে ২য় বর্ষে অধ্যায়নরত ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।
ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগ থেকে জানা গেছে, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পলাশী মোড়ের স্টাফ কোয়ার্টারের ১৮ নম্বর ভবনের একটি বা/থরু/মের দ/র/জা ভেঙে তাকে উ/দ্ধা/র করেন। পরে তাকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ/ত ঘোষণা করেন।

মারা যাওয়া ওই ছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ২য় বর্ষে অধ্যায়নরত ছিলেন। তিনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে থাকতেন। করোনার কারণে হল বন্ধ থাকায় তিনি আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে সাবলেটে থাকতেন।

ওই ছাত্রীর বাড়ি নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার। তার বাবার নাম আলতু মিয়া।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ’তুষ্টি (শনিবার) মধ্যরাতে বাথরুমে আটকা পড়েছিল। তার রুমমেট অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে না পেয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিলে আমরা এখানে (সকালে) এসে বাথরু/মের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধা/র করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ/ত ঘোষণা করে।’

তিনি জানান, দুজন শিক্ষার্থী মিলে স্টাফ কোয়ার্টারের নিচ তলায় একটি বাসায় সাবলেটে থাকতেন। সকালে তার রুমমেট ঘুম থেকে উঠে টয়লেটের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পায়। তবে ভেতরে কলের পানি পড়ছিল।


এ সময়ে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আরও জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শারীরিক অসুস্থতার ফলে টয়লেটে পড়েই ঐ শিক্ষার্থীর মৃ/ত্যু হতে পারে। আর এমন ধারণার বেশ কিছু কারণও আছে। বিশেষ করে, তার শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল বলে জানা গেছে। এছাড়া গত শনিবার সে বৃষ্টিতে ভিজেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে একারনেই হয়তো তার শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে।