বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত দুবাইয়ে অসংখ্য প্রবাসী রয়েছেন। এই সকল প্রবাসীরা প্রায় সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানা বিষয় পোস্ট করেন। তবে এই সকল বিষয় নিয়ে প্রায় সময় ওই প্রবাসীর পরিবারে বড় রকমের বিপদ নেমে আসে। তেমনি এবার এক প্রবাসীর পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে তার বাবাকে অপমানিত হতে হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ পেল। এমনকি অভিযোগ উঠেছে ওই প্রবাসীর বাবাকে বাসা থেকে ছাত্রলীগ নেতা নিয়ে যায়। এরপর প্রবাসীর বাবার গায় হাত দেন ছাত্রলীগ নেতা।

কলা খেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় প্রবাসীর বাবাকে জোর পূর্বক উঠিয়ে নিয়ে মা//র//ধ//র ক/র/লে/ন মৌলভীবাজারের ছাত্রলীগ জুড়ি উপজেলা সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল। এই ঘটনায় বিচার চেয়ে শুক্রবার (৪ জুন) জুড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী স্বপন মিয়া।
জুড়ি থানায় স্বপন মিয়ার দেয়া লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, স্বপন মিয়া জুড়ি শিশুপার্ক এলাকার একজন চা দোকানদার। তার এক ছেলে নাইম আহমদ দুবাই প্রবাসী। সে কিছু দিন আগে দুবাইয়ে বসে কলা খেয়ে সেটি তার নিজ ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। এ ছবি দেখে ক্ষি//প্ত হয়ে ওঠেন জুড়ি উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, প্রবাসী ছেলে নাইম আহমদ কয়েকদিন আগে দুবাইয়ে বসে কলা খাওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে পোস্ট করে লিখেন ’কলা খাচ্ছি, আরাম পাচ্ছি’। এ ছবি দেখে ক্ষিপ্ত হন উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল। ক্ষো/ভ থেকে বৃহস্পতিবার (৩ জুন) রাতে স্বামী স্বপন মিয়াকে তার চা দোকান থেকে জুড়ী নিউ মার্কেটে তুলে নিয়ে যান ছাত্রলীগ সভাপতি সাবেলের লোকজন। সেখানে ছাত্রলীগ সভাপতি সাবেলসহ তার কর্মীরা চ/ড়-থা//প্প//ড় মে//রে কা/ন ধ/রে ও/ঠবস করায়। পরে উপস্থিত সবার সামনে স্বপন মিয়াকে সাবেলের //পা// ধরে ক্ষ/মা চাওয়ায়। ছেলের বয়সী ছাত্রলীগ সভাপতির পায়ে ধরে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পান চা দোকানি স্বপন মিয়া। পরে তিনি জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল বলেন, আমি প্র//তি//হিং//সা//র শিকার। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্থার জন্য মিথ্যা ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, ভুক্তভোগী স্বপন মিয়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্তসাপেক্ষে এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র:rtvonline

এদিকে, এই ঘটনা নিয়ে বর্তমানে মৌলভীবাজারের ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষ এই ঘটনার সঠিক বিচার চেয়েছে। বর্তমানে এই ঘটনা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই প্রবাসীর বাবা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রবাসীর বাবা মানসিক ভাবে ভে’ঙে পড়েছেন বলেছেন প্রবাসীর মা।