বর্তমান সমাজে পরকিয়ার কারণে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। এমনকি পরিকায়ার কারণে অসংখ্য সুখের সংসার নিমিশে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এই পরকীয়ার কারণে অনেক গ্রামেও অশান্তি দেখা দেয়। এবার তেমনি একটি পরকীয়ার ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলে। এই এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে। যার কারণে তাকে গ্রাম ছাড়া করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ পেল।


টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়ল আনোয়ার হোসেন নামে এসএসএস এনজিও’র এক কর্মী। আনোয়ার হোসেন জেলার ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল গ্রামের মৃ’’ত আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। গত শুক্রবার (৪ জুন) রাতে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ভাসার চর এলাকায় এক প্রবাসীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া অনৈতিক অবস্থায় ধরা পড়ে আনোয়ার গ//ণ//পি//টু//নি//র স্বীকার হয়। এ বিষয় নিয়ে গেল শনিবার (৫ জুন) মীমাংসা করার জন্য দফায় দফায় বৈঠক হয়। মীমাংসায় মাতাব্বররা বিভিন্ন অপরাধ দিয়ে দুই বাচ্চার জননীকে কাজী দিয়ে তালাক ব্যবস্থা করে এলাকা ছাড়ার ঘোষণা দেয়। ঘোষণার পর পরই প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেন তার শ্বশুর-শাশুড়ি। মীমাংসা শেষে এনজিও কর্মী আনোয়ারকে ছেড়ে দেয়া হয় উপস্থিত মাতাব্বররা।

এ ঘটনায় দাইন্যা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল মন্ডল বলেন, আপত্তিকর অবস্থায় ওই নারী ধরা পরায় তাকে এলাকাবাসী নানাভাবে নাজেহাল করতে থাকে। এছাড়া তাকে ন্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে থানা পুলিশদের অবহিত করি। পুলিশ ঘটনাস্থলে না আসায় পরিস্থিতি খারাপ হয়। এরপর সকলের সম্মতিতে এলাকাবাসী মীমাংসা করার জন্য বসে। মীমাংসায় ওই নারীর সম্মতিক্রমে তালাক নামায় স্বাক্ষর নেয়া হয়। তারপর তাকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের এসএসএস এনজিও শাখা ব্যবস্থাপক মাহবুব হোসেন বলেন, আনোয়ার হোসেন বাসায় যাওয়ার কথা বলে ছুটি নেয়। তারপর অ’নৈ’তি’ক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরে। সে যে অপরাধ করেছে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়, এতে আমাদের কিছুই করার নেই।


এদিকে, এই পরকীয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে টাঙ্গাইলে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেক মানুষ বলছে এই ঘটনায় আমাদের এলাকার বদনাম হয়েছে। যার কারণে প্রবাসীর স্ত্রীকে গ্রাম ছাড়তে হল। তবে দিন দিন দেশের আনাচে কানাচে এমন পরকীয়ার ঘটনা বেড়েই চলেছে।