আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ’আমরা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। মির্জা ফখরুলরা থাইল্যান্ডে গিয়ে কী করেন- সে খবরও আমরা জানি। কোনো ষড়যন্ত্রে কাজ হবে না। বিএনপি না এলে নির্বাচন কি বসে থাকবে?’
মঙ্গলবার (১৯ জুন) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের বলেন, ’নির্বাচনী এলাকায় না গিয়ে তারা বিদেশে গিয়ে ধর্ণা দিচ্ছে, নালিশ করছে, কূটনীতিকদের কাছে যাচ্ছে। এটা তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব।’
গত নির্বাচনে বিএনপির অংশ না নেয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ’এটা কি আওয়ামী লীগের দোষ? শেখ হাসিনার দোষ? তারা নিজেরা সবকিছু উপেক্ষা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। তারা সরে গেলে দেশের সাংবিধানিক ধারাকে আমরা জলাঞ্জলি দিতে পারি না। এটা হচ্ছে বাস্তবতা।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে কি নেবে না- এটা তাদের বিষয়। তবে নির্বাচনে অংশ নেয়াটা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। তিনি প্রশ্ন করেন পৃথিবীর কোন দেশে বিরোধী দলকে ডেকে ডেকে নির্বাচনে অংশ নেয়ায়?
তিনি বলেন, সিএমএইচ হচ্ছে দেশের সবচেয়ে ভাল হাসপাতাল। নির্বাচনে খালেদা জিয়া সেনাবাহিনী চান, কিন্তু মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন না- এটা কেমন কথা?
এর আগে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধাররণ সম্পাদক দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, একেএম এনামুল হক শামীম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কৃষি সম্পাদক ফরিদুরনাহার লাইলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বন ও পরিবেশ সম্পদক দেলোয়ার হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পদক আব্দুস সবুর, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম কামাল হোসেন, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলসহ সহযোগী ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। সূত্র:purboposhchim