থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির চলমান সংকট সমাধানে এগিয়ে এসেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ব্যাপারে তিনি তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য। সোমবার অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপির একাধিক নেতা জানান, ঢাকা মহানগরের থানা-ওয়ার্ডের যেসব কমিটিতে অপরিচিত ও অযোগ্যদের রাখা হয়েছে তা বাতিল করে নতুন কমিটি করা হবে। সেসব কমিটির তালিকাও করা হচ্ছে। মহানগরের ক্ষুব্ধ নেতারাও এই তালিকা তৈরিতে সহযোগিতা করছেন। আজ সকালে উত্তরের পদধারী ৩০ জন নেতা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে এই তালিকা দেবেন। বিকালে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের কাছেও লিখিত অভিযোগ নিয়ে যাবেন নেতারা।

মহানগরের নেতারা জানান, বিএনপির নীতিনির্ধারকদের অবগত করার জন্য তারা দুটি তালিকা প্রস্তুত করেছেন। সংগঠনের ঘোষিত ২৫টি থানা কমিটির মধ্যে যেসব নেতার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নিষ্ক্রিয়তা ও মাদকসংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে তা চিহ্নিত করা হয়েছে। আরেকটি তালিকায় যেসব সক্রিয়, ত্যাগী আর রাজপথের নেতাকর্মীদের বাদ দেয়া হয়েছে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

৩ জুন ঢাকা মহানগর উত্তরে ২৫টি থানা ও ৫৮টি ওয়ার্ডের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। তাদের অভিযোগ, অতীতে আন্দোলন সংগ্রামে কোনো ভূমিকা ছিল না- অধিকাংশ থানায় এমন নেতাদের শীর্ষ পদ দেয়া হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতদের কয়েকটি থানা কমিটির শীর্ষ পদে বসানো হয়েছে। উত্তরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ’পকেট কমিটি’ দেয়ার অভিযোগ করে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেশ কয়েক দিন বিক্ষোভ করেন পদবঞ্চিতরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেন উত্তরের নির্বাহী কমিটির ৩১ নেতা। এ নিয়ে ওই নেতারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছেন। সূত্র:যুগান্তর